দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে এবার কাঁচা মরিচের উৎপাদন কম

অর্থনীতি বার্তা

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে এবার কাঁচা মরিচের উৎপাদন কম হয়েছে। ফলে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় কাঁচা মরিচের দাম ঊর্ধ্বমুখী। এঅবস্থায় সরবরাহ ও দাম স্বাভাবিক রাখতে প্রায় এক বছর পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু করেছেন আমদানিকারকরা। এতে করে দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কমতে শুরু করেছে।হিলি স্থলবন্দরের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত এক বছর ধরে এই বন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি বন্ধ ছিল। শনিবার (২০ জুলাই) থেকে আবারও তা আমদানি শুরু হয়েছে। এদিন বন্দর দিয়ে পাঁচটি ট্রাকে ৩৮ টন ১৮৪ কেজি কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে।

সরেজমিনে হিলি বন্দরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানি করা প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ পাইকারি (ট্রাক সেল) ১০০ টাকা থেকে ১০৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর হিলি বাজারে ভারতীয় এই কাঁচা মরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকা করে। আর দেশীয় জাতের কাঁচা মরিচ খুচরা প্রতিকেজি ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কিছুদিন আগেও দেশীয় কাঁচা মরিচ ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

হিলি স্থলবন্দরে কাঁচা মরিচ আমদানিকারক আনোয়ার হোসেন জানান, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে কাঁচা মরিচের গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন কম হয়েছে। এতে করে সরবরাহ কমে যাওয়ায় হঠাৎ করে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে যায়। এঅবস্থায় বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ও দাম সাধারণের নাগালের মধ্যে রাখতে আমদানিকারকরা হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচা মরিচ আমদানি শুরু করেছেন।আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ভারতের বিহার ও পুর্নিয়া এলাকা থেকে আমদানি করা এই কাঁচা মরিচ ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে আমদানি করা প্রতি কেজি মরিচে সরকারকে শুল্ক দিতে হচ্ছে ২১ টাকার মতো।