এবার বুঝে শুনে কোচ নিয়োগ দেবে বিসিবি

খেলা বার্তা

সময় নিয়ে, বুঝে শুনে হেড কোচ নিয়োগ দিতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বুধবার বোর্ড প্রধান নাজমুল হাসান পাপন নতুন কোচ নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে এমনটাই জানিয়েছেন। খালি নাম দেখে বা পূর্বের কোনো অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে এবার কোচ নিয়োগ দেয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন এই বোর্ড প্রধাণ। সব মিলিয়ে কোচ ইস্যুতে তাড়াহুড়া করতে নারাজ তিনি।চলতি মাসের ২৭ তারিখ বিসিবির বার্ষিক বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বোর্ড সভাপতি নিজেও নিশ্চিত নন, এই মিটিংয়ে তাঁরা কোচ ইস্যুতে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কিনা।

পাপন বলেন, ‘২৭ তারিখের বোর্ড সভায় এই বিষয়ে কোনো কিছু নিশ্চিত ভাবে বলতে পারব কিনা আমরা জানিনা। আমাদের প্রক্রিয়া চলছে এই বিষয়ে। কোচ তো একজন না, একজন হচ্ছে হেড কোচ।ফাস্ট বোলিং কোচ দেখছি আমরা, ফিজিও আছে একাধিক। আমরা এবার একটু ঠাণ্ডা মাথায় বুঝে শুনেই নিতে চাচ্ছি। খালি নাম দেখে না পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে না একটু বুঝে শুনেই নিতে চাচ্ছি।’বোর্ড সভাপতি পাপন চাইছেন বুঝে শুনে, সময় নিয়ে কোচ নিয়োগ দিতে। তাহলে কি এর আগের বার সময় না নিয়ে তাড়াহুড়া করে কোচ নিয়োগ দিয়েছিল বোর্ড? কিন্তু রেকর্ড বলছে ভিন্ন কথা।প্রত্যেকবারই নতুন কোচ নিয়োগে লম্বা সময় নিয়েছে বোর্ড। চন্ডিকা হাতুরুসিংহে দায়িত্ব ছাড়ার পর স্টিভ রোডসকে দায়িত্ব দিতে বিসিবি সময় নেয় প্রায় ছয় মাস। তাঁর আগে শেন জার্গেসন দায়িত্ব ছাড়ার এক মাসের মাথায় চন্ডিকা হাতুরুসিংহেকে নিয়োগ দেয় বিসিবি।

২০১২ সালে রিচার্ড পাইবার দায়িত্ব ছাড়ার ৪ মাসের মাথায় জার্গেসনকে হেড কোচ পদে চাকরি দেয়া হয়েছিল। পাইবাসের আগে বাংলাদেশের কোচ ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার স্টুয়ার্ট ল, তিনি দায়িত্ব ছাড়ার এক মাসের মধ্যে তামিম ইকবাল-সাকিব আল হাসানদের দায়িত্ব নেন পাইবাস।সর্বোশেষ ৫ জন কোচ দেয়ার ক্ষেত্রে কখনও বেশি সময় নিয়েছে বোর্ড আবার কখনও এক মাসের মাথায় নতুন কোচকে দায়িত্ব তুলে দিয়েছে। এবার কি তাহলে নতুন কোচ নিয়োগে পাইবাস এবং হাথুরুসিংহের মত ভুল করতে চাইছে না বোর্ড।নতুন কোচ নিয়োগ দেয়া হলে সেটা দীর্ঘ পরিসরে চিন্তাভাবনা করে দেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন পাপন। ২০২৩ বিশ্বকাপকে ঘিরেই নতুন কোচ নিয়োগ দিতে চাইছে বোর্ড। পাপন আরও বলেন, ‘এবার নিবো দীর্ঘ মেয়াদে, অন্তত চার বছর। অল্প সময় না আমরা চেষ্টা করছি দিতে। দেখা যাক কি হয়।’