পৌর কর্মচারীদের সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে পুলিশের বাধা

বিবিধ

বকেয়া বেতন পরিশোধ ও রাজস্ব খাত থেকে শতভাগ বেতন দেওয়ার দাবিতে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। তবে বাধার মুখেও কাফনের কাপড় শরীরে জড়িয়ে বসে সচিবালয়ের পশ্চিম পাশ ও প্রেসক্লাব সংলগ্ন রাস্তায় কর্মসূচি পালন করছেন তাঁরা।বাংলাদেশ পৌরসভা সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে আজ বুধবার (৩১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে সচিবালয় ও প্রেস ক্লাব এলাকায় এ কর্মসূচি পালন শুরু করেন পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা রাজপথ ছেড়ে যাবেন না ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

গত ১৪ জুলাই সকাল ১১টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে মহাসমাবেশ করেন সারা দেশের পৌর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। মহাসমাবেশ থেকে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থানের ঘোষণা দেন তাঁরা। এরপর থেকে তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন অবস্থান কর্মসূচি।আন্দোলনকারীরা বলেন, কোনো মিথ্যা আশ্বাসে ঢাকা ছাড়বেন না তাঁরা। একমাত্র প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দাবি মানার লিখিত নির্দেশনা পেলে তবেই তাঁরা রাজধানী ছেড়ে যাবেন। এর আগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পালন করেছেন অবস্থান কর্মসূচি।

আন্দোলনকারীরা আরো বলেন, বর্তমানে ৩২৮টি পৌরসভার প্রায় ৩২ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর দুই মাস থেকে ৭৫ মাস পর্যন্ত বেতন বকেয়া রয়েছে, যা মোট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রায় ৮৭ শতাংশ। এসব পরিবারের লাখ লাখ সদস্য কষ্টে জীবন যাপন করছে। জীবন অতিবাহিত করাও তাদের দায় হয়ে পড়েছে।দেশের ৩২৮টি পৌরসভায় স্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারী আছে ১২ হাজার। আর অস্থায়ী কর্মচারী ২০ হাজার। পৌরসভাগুলোতে দুই থেকে ৭৮ মাস পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বকেয়া। বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে হলে ৬৯২ কোটি টাকার প্রয়োজন। এ ছাড়া চাকরি শেষে অবসরে যাওয়া ৭৫০ জন কর্মচারীর পাওনা পরিশোধ করতে প্রয়োজন ১২০ কোটি টাকা।