দেখো আমার পকেটে ‘শিরিষ কাগজ নেই’!

খেলা বার্তা

যেমনটা আশা করা হয়েছিল, সেভাবেই ডেভিড ওয়ার্নার, স্টিভেন স্মিথ এবং ক্যামেরন বেনক্রফটকে ‘বরণ’ করেছে অ্যাশেজ। বছর দেড়েক আগে কেপটাউন বল টেম্পারিং কেলেঙ্কারি করে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন এই তিনজন। এজবাস্টনে এই তিনজনকে তাই দুয়োধ্বনি আর শিরিষ কাগজ দেখিয়ে ‘স্বাগত’ জানিয়েছে ইংলিশ দর্শকরা।

প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে সমালোচকদের মুখে কুলুপ এঁটে দিয়েছেন স্টিভেন স্মিথ। অ্যাশেজে ডন ব্র্যাডম্যানের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যাটিং গড়ের রেকর্ডও তার। তবে জ্বলে উঠতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার।

দুই ইনিংসে এই ওপেনারের সংগ্রহ যথাক্রমে ২ এবং ৮। কেপটাউন কেলেঙ্কারির মূল হোতা হওয়ার কারণে ওয়ার্নারের ওপর দর্শকদের রাগটা বেশি। ১ আগস্ট প্রথমদিন যখন ব্যাট হাতে নামেন, দর্শকদের দুয়ো শুনতে হয়েছিল। এরপর গতকাল ফিল্ডিং করার সময়ও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

সীমানার কাছে একবার ফিল্ডিং করার সময় দর্শকরা তার কাছে জানতে চায়, ওয়ার্নার বল টেম্পারিং করার জন্য পকেটে শিরিষ কাগজ রেখে দিয়েছেন কিনা! এমন স্লেজিংকে হেসে উড়িয়ে দেওয়া ছাড়া কিছু করার ছিল না ওয়ার্নারের।

তবে তিনি আরেকটু রসিকতা করে প্যান্টের দুই পকেট বের করে দর্শকদের দেখিয়ে দেন তাতে কোনো শিরিষ কাগজ লুকানো নেই। তার এমন কাণ্ড দেখে হাসিতে ভেঙে পড়েন দুয়ো দেওয়ার জন্য কুখ্যাত ইংলিশ দর্শকরা।

স্যান্ডপেপার গেট কেলেঙ্কারিতে ধরা পড়া এই ত্রিরত্নের কারণেই ইংল্যান্ডের মাটিতে একটু মাথা নত করেই এসেছে অস্ট্রেলিয়া।ব্যঙ্গ-বিদ্রুপসহ অনেক কিছু সহ্য করতে হচ্ছে তাদের। তবে পাল্টা সুযোগে পেলে ছাড়ে কে? গতকালই ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ওয়ার্নার-পেইনদের দেখা যায় ইংলিশ দলপতি জো রুটকে স্লেজিং করতে।

ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ হবে আর স্লেজিং হবে না; এটা তো হতেই পারে না! যদিও অস্ট্রেলিয়ানরা বেশ কিছুদিন ধরে স্লেজিং করবে না বলে কথা বলছিল। কিন্তু মাঠে তার বাস্তবায়ন কই?