যু’দ্ধ চাই না, তবে ভারত এলে উচিত শিক্ষা দেব : ইম’রান খান

রাজনীতি বার্তা

মু’সলিম প্রধান অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ ম’র্যাদা বাতিলে ভারতীয় সিদ্ধান্তের পর পারমাণবিক অ’স্ত্রধারী দুই চিরবৈরী প্রতিবেশীর মাঝে উত্তে’জনা চরমে পৌঁছেছে।পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ নজরদারি এবং প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইম’রান খান। ইম’রান খান বলেছেন তাঁর দেশ কোনো যু’দ্ধ চায় না। তবে যদি ভারত যু’দ্ধ চাপিয়ে দেয়, তবে তাদের উচিত জবাব দেওয়া হবে।

সংবাদমাধ্যম জিও টিভি এক প্রতিবেদনে জানায়, বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন ইম’রান খান। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে চলমান কাশ্মীর সংকট নিয়ে আলোচনা করেন।

পাকিস্তান সব সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কাশ্মীরে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আলোচনা করতে চান। তবে মোদির হিটলারি মানসিকতার জন্য সেই আলোচনা আলোর মুখ দেখে না।

সম্প্রতি ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপ করে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ স্ট্যাটাস কেড়ে নেয় মোদির বিজেপি সরকার। এর পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে উত্তে’জনা বাড়তে থেকে।

এদিকে কাশ্মীরে গৃহব’ন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। তাদের যোগাযোগ ও চলাচল নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় সেখানে যেন একটি কারফিউ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

কাশ্মীরে এখন হাজার হাজার অ’তিরিক্ত সেনা রাস্তায় অবস্থান করছে। সেখানকার মা’র্কেট, স্কুল-কলেজ সবকিছু বন্ধ এবং চারজনের বেশি লোকের কোথাও সমবেত হওয়া নিষিদ্ধ। এমনকি স্থানীয় নেতারাও আ’ট’ক হয়ে আছেন।

জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ ম’র্যাদা বিলুপ্তি এবং একে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের কয়েকদিন পরই বড় ধরনের প্রতিবাদ হতে পারে আশ’ঙ্কা থেকেই এমন সব ব্যবস্থা নিয়েছে ভারত সরকার।

গত মঙ্গলবার সংসদে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ করে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ ম’র্যাদা সমাপ্ত করার একটি প্রস্তাব পাস করেছে বিজেপি সরকার। ওই রাজ্যকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল : জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখে বিভক্ত করার একটি বিলও পাস করানো হয়েছে।