এবার ফোন দিলেই মশা মারতে চলে আসবে পুলিশ

জাতীয় বার্তা

কোনো এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়ে গেলে নির্দিষ্ট একটি নম্বরে ফোন দিনেই চলে আসবে পুলিশের মশা দমনের ইউনিট। পরিদর্শক পর্যায়ের একজন পুলিশ কর্মকর্তার নেতৃত্বে সেখানে চলবে মশা নিধন অভিযান। এবার মাঠে নেমেছে বগুড়ার পুলিশ।

আজ ৯ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে শহরের সাতমাথায় জেলা পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে মশকনিধন অভিযানের শুরুতেই পুলিশ সুপার আশরাফ আলী ভূঞা এ ঘোষণা দেন। ঘোষণার পর ৪৫টি ফগার মেশিন একসঙ্গে চালিয়ে এই অভিযানের উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় জেলা পুলিশের মশা নিধন কর্মযজ্ঞে অংশ নেন জেলার পদোন্নতিপ্রাপ্ত পুলিশ সুপাররা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ১২টি থানার ওসি ও অন্যান্য পদমর্যাদার প্রায় অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা। এর আগে জেলার বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুরোধে করণীয় এবং আত্রান্তদের চিকিৎসার বিষয়ে পরামর্শমূলক প্রচারণা লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এ সময় পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঞা জানান, পুলিশের হেলপ ডেক্স ০১৭৪১০৯৮৭০০ নম্বরে ফোন করলেই এলাকাভিত্তিক সেবা মিলবে। একজন পুলিশ পরিদর্শকের নেতৃত্বে জরুরি সেবা দিতে পুলিশের টিম পৌঁছে যাবে ওই এলাকায়। এরপর সেখানে ওষুধ ছিটিয়ে এডিস মশা কিংবা তার লার্ভা নির্মূল করা হবে। প্রাথমিকভাবে বগুড়ার ১২টি থানায় পুলিশের এই অভিযানে ৪৫টি মেশিন দিয়ে কাজ শুরু করা হয়েছে। প্রয়োজনে এই মেশিনের সংখ্যা বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে এডিস মশা নিধনে আড়াই মণ কীটনাশক এনে সেগুলো স্প্রে করা হচ্ছে। ১৫টি স্প্রেমেশিন দিয়ে ড্রেনগুলোতে এবং ৩০টি ফগার মেশিন দিয়ে এলাকায় কীটনাশক ছিটানো হচ্ছে।এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার বলেন, ‘এডিস মশার লার্ভা যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ধ্বংস করা যায় তাহলে ডেঙ্গু ছড়াবে না।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হাজার হাজার মানুষ গ্রামে আসছে। এখনই যদি আমরা সাবধান না হই তাহলে ডেঙ্গু গ্রাম-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে। সে কারণে আমরা সাধারণ মানুষকে সচেতন করছি।’