শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে স্বস্তিতে ফিরছে ঘরমুখো মানুষ

জেলা বার্তা

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে ঈদ যাত্রার তৃতীয় দিনে নাড়ির টানে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ।রোববার ভোরের দিকে শিমুলিয়া প্রান্তে যানবাহনের কিছুটা চাপ থাকলেও এখন তা নেই। ঘাটে ছোট-বড় গাড়ি মিলে অপেক্ষায় রয়েছে ২ শতাধিক যানবাহন। পাশাপশি শতাধিক ট্রাকও রয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাট ম্যানেজার (মেরিন) এ কে এম শাহজাহান জানান, লৌহজং টার্নিং পয়েন্টার বিকল্প চ্যানেলের পথটি সরু হওয়ার কারণে রাতে টানা (ডাম্ব) ফেরিগুলো চলতে পারে না। তাই সকাল পর্যন্ত গাড়ির একটু চাপ থেকে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাপ কমে যায়।

তিনি আরও জানান, দিনের বেলায় ট্রাক পারাপার বন্ধ রাখা হয়। তবে গরুবাহী ও পচনশীল পণ্যের ট্রাক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে।
এদিকে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে বর্তমানে ১৭টি ফেরি, সাড়ে ৪ শতাধিক স্পিডবোট ও ৮৮টি লঞ্চ দিয়ে পারাপার হচ্ছে ঈদে ঘরমুখো মানুষ।
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে শিমুলিয়া ঘাটে পুলিশ, আনসার, র‌্যাবসহ প্রায় ৪ শতাধিক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ঘাট এলাকায় মোবাইল কোর্টের জন্য সার্বক্ষণিক ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম জানান, ঘাটে সকালে যাত্রীদের কিছু চাপ ছিল। তবে এখন কমতে শুরু করেছে। বলা যায় স্বস্তিতেই ফিরছে মানুষ।

তিনি বলেন, ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট ও স্পিডবোট ঘাটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য রয়েছে। বাসে ভাড়া বেশি নেয়াসহ কোনো প্রকার অনিয়মের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।