অন্যদের দিকে তাকিয়ে লাভ নেই

জেলা বার্তা

জটিল সমীকরণ মাথায় নিয়ে ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। সমীকরণ এতোটা জটিল হতো না যদি রবিবার ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিতো ভারত। কিন্তু ম্যাচের ফলটা বাংলাদেশের পক্ষে আসেনি বলেই এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে বাকি দুটি ম্যাচ জয়ের বিকল্প নেই। মাশরাফি অবশ্য মনে করেন বড় মঞ্চে যাওয়ার জন্য জটিল সমীকরণই প্রয়োজন!

মঙ্গলবার ভারতের কাছে হারলে বার্মিংহামেই বিশ্বকাপের বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে মাশরাফিদের। তবে সামনে এগুনোর এই কঠিন পথটাকে ইতিবাচক ভাবেই দেখছেন বাংলাদেশে সেরা এই অধিনায়ক, ‘আমি এটা ইতিবাচক হিসেবে নিচ্ছি, যদি মঙ্গলবার খেলে জিততে পারি। আমি মনে করি কঠিন অপশনই ভালো, শুধু বিশ্বকাপ না দলকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে এটাই ভালো দিক।’

তবে মঙ্গলবার ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি জিতে নিজেদের কাজটা ঠিকভাবে এগিয়ে রাখতে চান মাশরাফিরা, ‘অন্যদের দিকে তাকিয়ে তো লাভ নেই। নিজেদের পারফরম্যান্সেই আমরা এই পর্যন্ত এসেছি। তিন ম্যাচ জিতে ছয় পয়েন্ট পেয়েছি। বৃষ্টিতে এক পয়েন্ট। অন্যদের দিকে এই ধরণের টুর্নামেন্টে তাকিয়ে মনে করি না লাভ আছে।’ পুরো বিশ্বকাপে নতুন বলে সাফল্য না পাওয়াটা ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। ভারতের ব্যাটিং অর্ডারের মূল শক্তি টপ অর্ডারে থাকা রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুল ও বিরাট কোহলি। তাদের শুরুতে ফেরাতে পারলে চালকের আসনে বসে যাবে বাংলাদেশ। আগের ম্যাচগুলোতে নতুন বলে সাফল্য না পেলেও মাশরাফির আশা ভারতের বিপক্ষে বোলাররা তাদের কাজটা ঠিকভাবে করতে পারবে, ‘যেভাবে হয়েছে, অবশ্যই আদর্শ বলা যাবে না। তবে এই ম্যাচে যে হবে না, সেটিও বলা কঠিন। যেটা হয়নি, হয়তো কালকের ম্যাচেও হতে পারে। ইতিবাচক চিন্তা করতে হবে। আমি ও আমরা ইতিবাচকভাবেই ভাবছি।’

ভারতের বিপক্ষে টপ অর্ডারকে দ্রুত বিদায় করতে পারলে ভারতের স্কোরবোর্ডকে আটকে রাখা যাবে। তাইতো মাশরাফির ভাবনায় এখন নতুন বলে কীভাবে ভারতীয় টপ অর্ডারকে ফেরত পাঠানো যায়, ‘আগের ম্যাচে হয়নি বলেই হবে না, এমন নয়। মাঠে গিয়ে চেষ্টা করতে হবে। শুরুতে দ্রুত উইকেট নেওয়া খুব জরুরি। টপ অর্ডার তাড়াতাড়ি ভেঙে দিতে না পারলে ভারত বড় রান করতে পারে। আশা করি বোলাররা তাদের কাজটা করতে পারবে।’